Wednesday, April 15, 2020

অষ্টম শ্রেণি-দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ-বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

২.১ ধ্বনি ও বর্ণ 

২.২ ম-ফলা ও ব-ফলার উচ্চারণ 

২.৩ কর্ম-অনুশীলন 

২.১ ধ্বনি ও বর্ণ

ক. ধ্বনি

কোনাে ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যে উপাদানসমূহ পাওয়া যায় সেগুলােকে পৃথকভাবে ধ্বনি বলে। ধ্বনির সঙ্গে সাধারণত অর্থের সংশ্লিষ্টতা থাকে না। ধ্বনি তৈরি হয় বাগযন্ত্রের সাহায্যে। ধ্বনি তৈরিতে যেসব বাক্-প্রত্যঙ্গ সহায়তা করে সেগুলাে হলাে- ফুসফুস, গলনালি, জিহ্বা, তালু, মাড়ি, দাঁত, ঠোট, নাক ইত্যাদি। মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে। ফুসফুস থেকে বাতাস বাইরে আসার সময় মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়। তবে সব ধ্বনিই সব ভাষা গ্রহণ করে না। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনিগুলােকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা হয় : ১. স্বরধ্বনি ২. ব্যঞ্জনধ্বনি। 

১. স্বরধ্বনি : যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও বাধা পায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজেই সম্পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাকে স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি । যথা : অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। 

২. ব্যঞ্জনধ্বনি : যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং 


যা স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে। ক , খ, গ , ঘৃ , পৃ , স্ ইত্যাদি। এই ধ্বনিগুলােকে প্রকৃষ্টভাবে শুতিযােগ্য করে উচ্চারণ করতে হলে স্বরধ্বনির আশ্রয় নিতে হয়। যেমন : (কৃ+অ=) ক; (গ+অ=) গ; (পৃ+অ=) প ইত্যাদি। 

খ. বর্ণ 

ধ্বনি মানুষের মুখ নিঃসৃত বায়ু থেকে সৃষ্ট, তাই এর কোনাে আকার নেই। এগুলাে মানুষ মুখে উচ্চারণ করে এবং কানে শােনে। ভাষা লিখে প্রকাশ করার সুবিধার্থে ধ্বনিগুলাের প্রতিনিধি হিসেবে কিছু চিহ্ন তৈরি করা হয়েছে। এই চিহ্নের নাম বর্ণ। অর্থাৎ কোনাে ভাষা লিখতে যেসব ধ্বনি-দ্যোতক সংকেত বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাকে বর্ণ বলে। এই বর্ণসমূহের সমষ্টিই হলাে বর্ণমালা। 

বাংলা ধ্বনির মতাে বর্ণও তাই দুপ্রকার : ১. স্বরবর্ণ, ২. ব্যঞ্জনবর্ণ। 

১. স্বরবর্ণ : স্বরধ্বনির লিখিত চিহ্ন বা সংকেতকে বলা হয় স্বরবর্ণ। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। 

কিন্তু স্বরবর্ণ ১১টি। যথা : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। 

২. ব্যঞ্জনবর্ণ : ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত চিহ্ন বা সংকেতকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। বাংলা ভাষায় 

ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যথা : 

ক খ গ ঘ ঙ  

চ ছ জ ঝ ঞ

ট ঠ ড ঢ ণ 

ত থ দ ধ ন 

প ফ ব ভ ম 

য র ল 

শ ষ স হ 

ড় ঢ় য় ৎ 


ং ঃ  ঁ

বর্ণমালা : কোনাে ভাষা লিখতে যে ধ্বনি-দ্যোতক সংকেত বা চিহ্নসমূহ ব্যবহৃত হয় তার সমষ্টিই হলাে বর্ণমালা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বর্ণসমূহকে একত্রে বাংলা বর্ণমালা বলে। বাংলা বর্ণমালায় মােট ৫০টি বর্ণ আছে।। 

বাংলা বর্ণমালায় সরবর্ণের লিখিত রূপ দুটি :১. পূর্ণরূপ ২. সংক্ষিপ্ত রূপ। 

১. স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ : বাংলা ভাষা লেখার সময় কোনাে শব্দে স্বাধীনভাবে স্বরবর্ণ বসলে তার পূর্ণরূপ 

ব্যবহৃত হয়। যেমন : শব্দের প্রথমে : অনেক, আকাশ, ইলিশ, উকিল, ঋণ, এক।

শব্দের মধ্যে : বেদুইন, বাউল, পাঁউরুটি, আবহাওয়া। 


শব্দের শেষে : বই, বউ, যাও। 

২. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ : অভিন্ন অন্য স্বরবর্ণগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত হলে পূর্ণরূপের বদলে 


সংক্ষিপ্ত রূপ পরিগ্রহ করে। স্বরবর্ণের এ ধরনের সংক্ষিপ্তরুপকে ‘কার’ বলে। স্বরবর্ণের ‘কার’-চিহ্ন ১০টি। যথা : 

আ-কার (া )  – মা, বাবা, ঢাকা। 

ই-কার (ি  ) – কিনি, চিনি, মিনি। 

ঈ-কার (ী) - শশী, সীমানা, রীতি। 

উ-কার ( ু ) – কুকুর, পুকুর, দুপুর। 

ঊ-কার ( ূ ) - ভূত, মূল্য, সুচি। 

ঋ-কার ( ৃ) - কৃষক, তৃণ, পৃথিবী। 

এ-কার (ে) - চেয়ার, টেবিল, মেয়ে। 

ঐ-কার ( ৈ)- তৈরি, বৈরী, নৈঋত। 

ও-কার  (ে া) - খােকা, পােকা, বােকা। 


ঔ-কার (ৗে) – নৌকা, মৌসুমি, পৌষ। 

বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণেরও দুটি লিখিত রূপ রয়েছে : ১. পূর্ণরূপ ২. সংক্ষিপ্ত রূপ। 

১. ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ : ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের প্রথমে, মধ্যে বা শেষে স্বাধীনভাবে বসে। 

শব্দের প্রথমে : কবিতা, পড়াশােনা, টগর। 

শব্দের মধ্যে : কাকলি, খুলনা, ফুটবল। 

শব্দের শেষে : আম, শীতল, সিলেট। 


২. ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ : অনেক সময় স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের আকার সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ব্যঞ্জনবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের ‘ফলা’-চিহ্ন ৬টি। যথা :

ন/ণ-ফলা (ন/ণ) - চিহ্ন, বিভিন্ন, যত্ন;। পূর্বাহ্, অপরা। 

ব-ফলা (ব) – পত্ব, বিশ্ব, ধ্বনি। 

ম-ফলা (ম) – পদ্ম, মুহম্মদ, তন্ময়।

য-ফলা (্য) – খ্যাতি, ট্যাংরা, ব্যাংক। 

র-ফলা (্র) – ক্রয়, গ্রহ। রেফ (') - কর্ক, বর্ণ। 

ল-ফলা (ল) – ক্লান্ত, গ্লাস, অম্লান। 

বাংলা বর্ণমালার স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণস্থান ও ধ্বনিপ্রকৃতি অনুযায়ী বিন্যস্ত। 

বর্ণের উচ্চারণ-থান

 উচ্চারণস্থান অনুসারে স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণগুলাের নাম নিচের ছকে দেখানাে হলাে : 





বর্ণের উচ্চারণ প্রকৃতি

অ : অ-এর উচ্চারণ দু রকম :

স্বাভাবিক (অ-এর মতাে) : অজ (অজো), অকাল (অকাল্), কথা (কথা), শপথ (শপথ্) ,

ক্ষণ (খন্), জঞ্জাল (জন্ জাল্), গয়না (গয়না্), ঘর (ঘর)।

সংবৃত (ও-এর মতাে) : অতি (ওতি), নদী (নােদি), অভিধান (ওভিধান্), অতনু (অতোনু),

সুমতি (সুমোতি), মৌন (মৌনাে), মৃগ (মৃগাে)।

আ : আ-এর উচ্চারণও দুরকম :

স্বাভাবিক (আ-এর মতাে) : আগামী (আগামি) আমরা (আম্রা) , আশা (আশা), আকাশ (আকাশ্), আলাে (আলাে)।
সংবৃত (অ্যা-এর মতাে) : জ্ঞান (গ্যাঁন্), বিখ্যাত (বিক্খ্যাতো)।

এ : এ-এর দু রকম উচ্চারণ হয়

স্বাভাবিক (এ-এর মতাে) : একটি (একটিঁঁ), কেক (কেক), কেটলি (কেটলি ), মেয়ে (মেয়ে),

বেগুন (বেগুন্), মেষ (মেশ্)।

সংবৃত (অ্যা-এর মতাে) : এক (অ্যাক), খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা), কেন (ক্যানো),

যেন (য্যানাে)।

ঙ  : ঙ এবং ং (অনুস্বার)-এর উচ্চারণ অং হয় :

ব্যাঙ (ব্যা), বাঙালি (বাংআলি), বঙ্কিম (বংকিম্), রঙ (রং)।

ঞ : ঞ-এর উচ্চারণ তিন রকম হয় :

স্বতন্ত্র ঞ : ইঁঅ-এর মতাে : মিঞ (মিঁয়ো), মিঞা (মিয়া)।

যুক্ত ঞ + চ/ছ/জ/ঝ : ন-এর মতাে : অঞ্চল (অন্চল), বাঞ্ছা (বাছা), ব্যঞ্জন (ব্যান্‌জোন),
ঝা (ঝঝ)।

যুক্ত জ +ঞ : গঁ বা গৃগ-এর মতাে : জ্ঞান (গান), যজ্ঞ (জোগৃগোঁ)।

শ, ষ, স : এগুলাের কয়েক রকম উচ্চারণ হয় :

স্বতন্ত্র শ-এর মতো : শক্তি (শােতি ), মশা (মশা), শাসন (শাশশা), সচিব (শােচিব),

সাহিত্য (শাহিত্ততা), বঁড় (শাডু), ষষ্ঠ (শশঠো)।

যুক্ত শ + চ/ছ : শ-এর মতাে : নিশ্চয় (নিশ্চয়), শিরচ্ছেদ (শিরােশছেদ)।

যুক্ত শ + ন /র : ইংরেজি S-এর মতাে : প্রশ্ন (প্রােসনাে), শ্রম (স্রো)।

যুক্ত শ + ঋ/ল : ইংরেজি S-এর মতাে : শৃগাল (সৃগা), শ্লোক (শ্লোক)।

যুক্ত শ + বাম/য : শব্দের প্রথমে শ/শঁ : শ্বাস (শাশ্), শ্বেত (শেত্), শ্মশান (শঁশান),

শ্মশূ (শোস্রু)।
শব্দের মধ্যে/শেষে শৃশ : নিঃশ্বাস (নিশশাশ), বিশ্ব (বিশশশা), রশ্মি | (রােশি), দৃশ্য (দৃশশশা)।

যুক্ত ষ + টাঠ : শ-এর মতাে : মিষ্টান্ন (মিটানাে), অনুষ্ঠান (ওনুশঠান), ষষ্ঠী (শােশঠি)।

যুক্ত স + ত/থ : ইংরেজি s-এর মতাে : নিস্তার (নিস্তার), দুস্থ (দুস্থাে)।

যুক্ত স + ন/র : শব্দের প্রথমে ইংরেজি s : স্নান্ (স্নান), স্নেহ (স্নেহাে), স্রষ্টা (স্রোশটা), স্রোত (স্রোত)।

শব্দের মধ্যে/শেষে সস : সস্নেহ (শসস্নেহাে)।

যুক্ত স + ব/ম : শব্দের প্রথমে শশ : স্বর্ণ (শরনাে), স্মরণ(শঁরোন্)।

 শব্দের মধ্যে/শেষে শশ্/সস : সর্বস্ব(শরবোশশো), সুস্মিতা(শুশমিত)। 

২১ ম-ফলা ও ব-ফলার উচ্চারণ 

ম-ফলার উচ্চারণ 

ম-ফলার উচ্চারণ

ক. পদের প্রথমে ম-ফলা থাকলে সে বর্ণের উচ্চারণে কিছুটা ঝোক পড়ে এবং সামান্য নাসিক্যস্বর হয়।
যেমন : শ্মশান (শঁশান), স্মরণ(শঁরোন্)।

কখনাে কখনাে ‘ম’ অনুচ্চারিত থাকতেও পারে।

যেমন : স্মৃতি (সৃতি বা সৃঁতি)।

খ. পদের মধ্যে বা শেষে ম-ফলা যুক্ত হলে উচ্চারণে সে বর্ণের দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য নাসিক্যস্বর হয়।

যেমন : আত্মীয় (আততিয়ো), পদ্ম (পদদো), বিস্ময় (বিশৃশয়), ভমসূপ (ভশশোস্তুপ), ভস্ম (ভশশো), রশ্মি (রােশশি)।

গ. গ, ঙ, ট, ণ, ন বা ল বর্ণের সঙ্গে ম-ফলা যুক্ত হলে, ম-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যুক্ত ব্যঞ্জনের

প্রথম বর্ণের স্বর লুপ্ত হয়। যেমন : বাগ্মী (বাগৃমি), মৃন্ময় (মৃন্ময়), জন্ম (জন্মাে), গুল্ম (গুলমাে)।

ব-ফলার উচ্চারণ 

ক. শব্দের প্রথমে ব-ফলা যুক্ত হলে উচ্চারণে শুধু সে বর্ণের উপর অতিরিক্ত ঝোঁক পড়ে।

যেমন : কৃচিৎ (কোচিৎ), দ্বিত্ব ( দিতাে), শ্বাস (শাশ) , স্বজন (শজোন), দ্বন্দ্ব (দনদো)।

খ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে যুক্ত ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।

যেমন : বিশ্বাস (বিশশাশ), পক (পকো ), অশ্ব (অশুশশা), বিহু (বিল্লাে)।

গ. সন্ধিজাত শব্দে যুক্ত ব-ফলায় ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে।

যেমন : দিগ্বিজয় (দিগবিজয়), দিগ্বলয় (দিগবলয়)।

ঘ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ‘ব’ বা ‘ম’-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বজায় থাকে।

যেমন : তিব্বত (তিব্বত). লম্ব (লম্বা)।

ঙ. উৎ উপসর্গের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-এর উচ্চারণ বহাল থাকে।

যেমন : উদ্বাস্তু (উদ্বাস্তু), উদ্বেল (উদ্‌বেল)।



২.৩ কর্ম-অনুশীলন 

১. তােমার দুই বন্ধুর আলাপ মন দিয়ে শোন। তারপর তাদের যে উচ্চারণগুলাে তােমার কাছে অশুদ্ধ মনে হয় তা খাতায় লিখে তােমার শিক্ষককে দেখিয়ে নিজেকে যাচাই কর।

২. ব-ফলাযুক্ত বানানে ব-এর উচ্চারণ কখন বহাল থাকে? সূত্রসহ ১০টি শব্দ লেখ।

৩. “একদিন বিকেলে হন্তদন্ত সাবু বাড়ির উঠান থেকে ‘মা মা' বলে চিৎকার করতে করতে ঘরে ঢুকল।
চিৎকার শুনে জৈতুন বিবি হকচকিয়ে ওঠেন। তিনি রান্নাঘরে ছিলেন। দ্রুত পাকশালা থেকে বেরিয়েএসে
সাবুকে জিজ্ঞেস করেন: “কী রে ? এত চিক্কর পাড়স্ ক্যান?”
 – উদ্ধৃতাংশে যেসব ‘কার’-এর ব্যবহার আছে, সেগুলাের ধারাবাহিক তালিকা প্রস্তুত কর।

-“কার গুলাের প্রত্যেকটি দিয়ে দুটো নতুন শব্দ তৈরি কর।

৪. “শ্মশানে পৌছে শ্বশুরমশাইয়ের শৈশবের স্মৃতি স্মরণ হলাে। গিয়েছিলেন বিশ্বনাথবাবুর সৎকার সম্পন্ন করতে পদ্মা নদীর পাড়ে। ফিরে এলেন ভস্মাবৃত হয়ে, শ্মশু মুণ্ডন করে।” -এখানে কোন কোন ‘ফলা’ ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলাে উল্লেখ কর।
– উদ্ধৃতাংশ অবলম্বনে ‘শ্মশান’, ‘শ্বশুর’, ‘স্মরণ’, ‘সম্পন্ন’, ‘শ্মশ্রু’ শব্দাবলির উচ্চারণ লেখ।

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

Post a Comment